অবশেষে চিপ সংকটের শিকার অ্যাপল

১২ এপ্রিল, ২০২১ ০২:০২  
২০২০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাকটর চিপ সংকটের কারণে কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন খাতে এই প্রভাব বেশ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। অ্যাপল পূর্বপ্রস্তুতি নিলেও অবশেষে চিপ সংকটের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। খবর ফোন এরিনা। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যের চাহিদা কয়েকগুন বেড়ে গেছে। চাহিদা বুঝতে না পারায় চিপ সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলো বেকায়দায় পড়ে গেছে। ইতিমধ্যে কার ও ট্রাক খাতের পাশাপাশি স্মার্টফোন খাত প্রতিবন্ধকতায় পড়েছে। পিএস৫ ও গেমিং গ্রাফিক্স কার্ড তৈরিতেও সংকট তৈরি হয়েছে। আগামী বছর পর্যন্ত এই সংকট চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত অ্যাপল অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছে এবং প্রতিযোগি কোম্পানিগুলোর তুলনায় কম সংকটে পড়েছে। তবে স্যামসাং, হুয়াওয়ে, শাওমি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে আলোচনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে অ্যাপল অনেকটাই স্থির হয়ে আছে। অ্যাপল অবশ্য চলতি বছরে টিএসএমসির ৫ ন্যানোমিটার চিপ উৎপাদনের ৮০ শতাংশই অর্ডার করে রেখেছে। সেই ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় বেশ এগিয়ে থাকছে কোম্পানিটি। টিএসএমসি সম্প্রতি ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে, যা দিয়ে চিপ সংকট উত্তরণে আগামী তিন বছর কোম্পানির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। যদিও এটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, ফলে দ্রুতই সংকট উত্তরণের উপায় নেই। আর তাই অ্যাপল তাদের ম্যাকবুক ও আইপ্যাডের কম্পোনেন্ট অর্ডার কিছুটা কমিয়ে এনেছে। নিক্কেই জানিয়েছে, অ্যাপলের পূ্র্বপ্রস্তুতি থাকা স্বত্বেও অবশেষে চিপ সংকটের শিকার হয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্টটি। বিশেষ করে ম্যাকবুক ও আইপ্যাডের উপর এর প্রভাব পড়েছে। ইতিমধ্যেই ম্যাকবুকের জন্য প্রিন্টেড সার্কিট বোড তৈরি বিলম্বিত হচ্ছে। অন্যদিকে আইপ্যাডের ডিসপ্লে ও এ সম্পর্কিত কম্পোনেন্ট সংকটের কারণে আইপ্যাড তৈরির গতি কমে গেছে। তবে এতে অন্য কোনো মডেলের উপর প্রভাব পড়বে কিনা জানা যায়নি। ডিবিটেক/বিএমটি